“রান্নায় যেমন, রপচর্চায় তেমন”- এই খাটি কথাটি শুধুমাএ হলুদের ক্ষেএেই প্রযোজ্য। রূপচর্চায় হলুদের ভূমিকা অনেক। অতীতে নানী-দাদীরাও হলুদ ব্যবহার করতেন। নানান রোগের জন্যে কাঁচা হলুদের রসও খেতেন। ঘরোয়া চিকিৎসাতেও হলুদের অবদান অনেক। অনেক ফেসপ্যাক কাঁচা হলুদ দিয়ে তৈরি করা হয়। অনেকের গায়ের রং ফ্যাকাসে সাদা। তারা যদি একটু কাঁচা হলুদ বেটে তার সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে গায়ে, হাতে এবং পায়ে মেখে প্রতিদিন গোসল করেন, তাহলে দেখবেন ফ্যাকাসে ভাব নেই। ত্বকের রুক্ষ্মতা থেকে বাঁচার এবং লাবণ্যময়ী করতে অনেক উপকারি একটি ভেষজ উপাদান।

http://jibondharon.blogspot.com/2014/05/blog-post.html

আসুন জেনে নিই হলুদ দিয়ে তৈরি কিছু প্যাক সম্পর্কে:
•    যাদের প্রচুর ব্রণ ওঠে তাদের জন্য কাঁচা হলুদ জাদুর মতো কাজ দেয়। ব্রনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। কিছু সময় পর ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে ও ইনফেকশন হবে না।
•    কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন।
•    হলুদের সাথে চন্দন মিশিয়ে লাগালে ত্বক উজ্জ্বল হয়।
•    কাচাঁ হলুদ বাটা, পাকা পেঁপে, দুধ ও ডাবের পানি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ১০ মিনিট ম্যাসেজ করে মুখ ধুয়ে নিন। শুষ্ক ত্বকে এটি ময়শ্চারাইজারের কাজ করবে।
•    হলুদ বেটে সারা শরীরে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে আসবে কোমলতা।
•    গোসলের আগে কাঁচা হলুদ, মধু, ডিমের কুসুম ও নারিকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে পুরো মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা বাদে তুলে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
•    অল্প একটু দুধের ক্রিমের সাথে হলুদ মিশিয়ে লাগালে ত্বক হবে কোমল, মসৃণ আর সতেজ।
•    বলিরেখা দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে অবশ্যই দারুন উপকার পাবেন।
তবে অবশ্যই সাবধান। হলুদ দিয়ে কখনও রোদে বের হবেন না। তাহলে ত্বক পুড়ে যাবে। তাই হলুদ দিয়ে রপচর্চা রাতের বেলা করাই শ্রেয়।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Top