কলার খোসার উপকারিতা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কাছে পরীক্ষিত সত্য। পটাসিয়ামে ভরপুর কলা খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি। কলাকে বলা হয় নানা রোগের প্রাকৃতিক ওষুধ।
আসুন দেখে নেই কলার গুনাগুনগুলো:
• কলায় প্রাকৃতিক এন্টাসিড থাকে। বুক জ্বললে একটা কলা খান।
• সকাল ও দুপুরের মাঝে সকাল ১০টায় একটা কলা খেতে পারেন। আপনার রক্তে সুগার লেভেল ঠিক রাখবে এবং মাথা গোলানো থেমে যাবে।
• পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকায় কলা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
• কলাতে যথেষ্ট ফাইবার থাকে তাই রেগুলার কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন।
• ভিটামিন বি৬, বি১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ধূমপান ছেড়ে দেবার জন্য কলা’র জুড়ি নেই।
• কলা ও দুধের মিশ্রণ শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• কলায় প্রচুর ফাইবার থাকে। পাকা কলা খেলে পায়খানা নরম হয়। আবার কাচাকলা খেলে ডায়রিয়া’র সময় উপকার পাওয়া যায়।
• গবেষণা অনুযায়ী, প্রতিদিনকার খাদ্যাভাসে কলা রাখলে ৪০% স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়!
• কলার খোসাতে থাকা পটাসিয়াম দাঁতের ওপরের থাকা ময়লা দূর করে দাঁতকে মজবুত করে


0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Top